ঢাকা জেলার ধামরাইয়ে বহু প্রতীক্ষিত গণপাঠাগারটি নতুন রূপে পুনরায় চালু হয়েছে। শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত ধামরাই পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মামনুন হাসান অনীক।
পাঠাগার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো ধামরাই গণপাঠাগার যাত্রা শুরু করে। কিন্তু কিছুদিন পরই পাঠাগারটি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকায় বইয়ের সংগ্রহ নষ্ট হয়ে যায় ও ভবনটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সম্প্রতি ইউএনও’র বিশেষ উদ্যোগে পাঠাগারটি সংস্কার, নতুন আসবাব, এবং নতুন বই সংগ্রহের মাধ্যমে আবারো প্রাণ ফিরে পায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও মামনুন হাসান অনীক বলেন—
“১৯৯৬ সালে পাঠাগারটি চালু হয়েছিল। এবার নতুনভাবে এর পুনর্যাত্রা শুরু হলো। ধামরাইয়ের সব শ্রেণির মানুষ পাঠাগারকে সচল রাখতে ভূমিকা রাখবেন— এই প্রত্যাশা করি।”
স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমী ও শিক্ষার্থীদের মতে, পাঠাগারটির পুনরায় চালু হওয়া এলাকাবাসীর জন্য একটি ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দেবে। পাঠাভ্যাস ছড়িয়ে দিতে ও জ্ঞানচর্চা বাড়াতে এই উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেছেন তারা।
আজকের ব্যস্ত জীবনযাত্রায় অনেকের জন্য বিনোদন খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অফিস, পড়াশোনা বা ব্যক্তিগত দায়িত্বে এতটাই ব্যস্ত আমরা, যে নিজেকে আরামদায়ক মুহূর্ত দেওয়ার সময় কম থাকে। তবে খেলাধুলা এই সমাধান হতে পারে। এটি শুধু শারীরিক সুস্থতার জন্য নয়, মানসিক আনন্দ, সামাজিক সম্পর্ক এবং স্ট্রেস কমানোর জন্যও অপরিহার্য।
খেলাধুলার গুরুত্ব
খেলাধুলার মাধ্যমে আমরা:
শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখি।
মানসিক চাপ কমাই ও মনকে সতেজ রাখি।
দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং নেতৃত্বগুণ বিকাশ করি।
বন্ধুত্ব এবং সামাজিক সম্পর্ক মজবুত করি।
বিভিন্ন ধরনের খেলা
খেলাধুলা অনেক ধরনের হতে পারে। এগুলোকে আমরা সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করতে পারি:
দলগত খেলা: ফুটবল, ক্রিকেট, বাস্কেটবল, হকি।
এই খেলাগুলো teamwork, সহযোগিতা ও পরিকল্পনা শেখায়।
ব্যক্তিগত খেলা: ব্যাডমিন্টন, টেনিস, শুটিং, সাঁতার।
নিজের দক্ষতা, ধৈর্য এবং ফোকাস বাড়াতে সাহায্য করে।
বিনোদনমূলক ও হালকা খেলা: ফ্রিজবি, চেস, কোর ফিটনেস এক্সারসাইজ।
হালকা বিনোদনের মাধ্যমে শরীরকে সক্রিয় রাখে এবং মেজাজ ভালো রাখে।
খেলাধুলা বাড়ানোর উপায়
প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট সময় রাখুন খেলাধুলার জন্য।
বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে দলগত খেলায় অংশগ্রহণ করুন।
স্কুল, কলেজ বা স্থানীয় কমিউনিটি ক্লাবের খেলাধুলার কার্যক্রমে যোগ দিন।
শারীরিক ও মানসিক সুবিধা বৃদ্ধির জন্য নতুন খেলার ধরণ অন্বেষণ করুন।
মোবাইল বা টিভির সময় কমিয়ে খেলাধুলার জন্য সময় বের করুন।
উপসংহার
খেলাধুলা শুধু একটি সময় কাটানোর মাধ্যম নয়, এটি আনন্দ, সুস্থতা এবং জীবনের মান বৃদ্ধি করার অন্যতম শক্তিশালী উপায়। তাই আজ থেকেই নিজের দৈনন্দিন জীবনে খেলাধুলার স্থান তৈরি করুন। মনে রাখবেন, বিনোদনের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর এবং কার্যকর উপায় হলো খেলাধুলা।
সোশ্যাল মিডিয়া বদলে দিচ্ছে যুবসমাজের ভাগ্য—নিজেদের তৈরি করছে নতুন কর্মসংস্থান
বর্তমান সময়ের ডিজিটাল বিশ্বে সোশ্যাল মিডিয়া শুধু বিনোদনের প্ল্যাটফর্ম নয়; অনেক বেকার যুবক–যুবতীর জন্য এটি এখন হয়ে উঠেছে নতুন কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্র। ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিনিয়ত নতুন সুযোগ তৈরি করছেন হাজারো তরুণ।
ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, অনলাইন ব্যবসা, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে আয়—সব মিলিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার সম্ভাবনা বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার অনেক তরুণ-তরুণী ঘরে বসেই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ করে নিজেদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক প্রশিক্ষণ ও নৈতিকতা বজায় রেখে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের মাধ্যমে তরুণরা নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারে খুব সহজেই। চাকরি খোঁজার অপেক্ষায় না থেকে নিজেরাই তৈরি করছে সুযোগ—এটাই বদলে দিচ্ছে বাংলাদেশের ডিজিটাল শ্রমবাজারের চিত্র।
ব্যক্তিগত উদ্যোগ, সৃজনশীলতা ও পরিশ্রম—এই তিনটি জিনিস থাকলে সোশ্যাল মিডিয়া এখন আর সময় নষ্টের জায়গা নয়, বরং ভবিষ্যৎ গড়ার শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।
Reportas News—ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিবর্তনের গল্প তুলে ধরছে প্রতিদিন।
বাংলাদেশের নদীমাতৃক ভৌগোলিক পরিচয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি কষ্টের নাম—জেলে সম্প্রদায়। নদী, খাল-বিলে মাছ ধরেই যাদের জীবিকা; দিনের পর দিন ঝড়, স্রোত আর অনিশ্চয়তার সঙ্গেই যাদের সংগ্রাম। আধুনিকতার ছোঁয়া বহু ক্ষেত্রে এলেও জেলেদের জীবন এখনও কঠিন বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি।
জেলেরা ভোরের আলো ফোটার আগেই নেমে পড়েন নদীতে। কখনো বুকসমান জলে দাঁড়িয়ে জাল টানেন, আবার কখনো নৌকা ভাসিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন একটি ভালো দিনের আশায়। কিন্তু মাছের স্বল্পতা, নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং নিষেধাজ্ঞার সময়—সব মিলিয়ে তাদের জীবনে আসে বৈরী পরিস্থিতি।
মাছ না পেলে সে দিন খাবার জোটে না পরিবারের। আবার নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারি সহায়তা সবাই পায় না, ফলে অনেকেই ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়ে। এ ছাড়া নদীতে ঝড়ো হাওয়ার ঝুঁকি, জাল-নৌকা নষ্ট হওয়া, ঠান্ডা-জ্বরসহ নানা রোগব্যাধির ঝুঁকি—সব মিলিয়েই তাদের জীবন যেন এক অবিরাম সংগ্রামের নাম।
তবুও নদী যেন তাদের রক্তে মিশে আছে। কষ্টের মাঝেও সকাল হলেই তারা নৌকা আর জাল নিয়ে ছুটে যান জীবিকার সন্ধানে। পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার এই নিরলস চেষ্টা মানবপ্রতিজ্ঞারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
জেলেদের এই দুর্দশা লাঘবের জন্য প্রয়োজন টেকসই নদী ব্যবস্থাপনা, সরকারি সহায়তা সঠিক বণ্টন, আধুনিক সরঞ্জাম প্রদান এবং বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরি করা। তা না হলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে নদীকে আঁকড়ে থাকা এই মানুষগুলো আরও বিপন্ন হয়ে পড়বে।
জেলেদের জীবন—সংগ্রাম, হতাশা, আশা আর টিকে থাকার লড়াই।
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা ‘ হাডুডু ‘ এখন প্রায় বিলুপ্ত
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হাডুডু—এক সময় গ্রামবাংলার আঙিনা কাঁপানো সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাগুলোর একটি। সন্ধ্যায় মাঠে নামলে আশপাশের মানুষ ভিড় করে দেখত, গ্রাম-গ্রামান্তরে আয়োজন হতো টুর্নামেন্ট। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে এই ঐতিহ্যবাহী খেলা। কেন বিলুপ্ত হচ্ছে, আর কী করলে আবার ফিরে আসতে পারে—তা নিয়েই আজকের বিশেষ প্রতিবেদন।
কেন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে হাডুডু?
১. আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রাম্য খেলার অবহেলা
মোবাইল, ইন্টারনেট ও ডিজিটাল গেমসের প্রসার তরুণদের মাঠমুখী হতে নিরুৎসাহিত করেছে। ফলে হাডুডুর মতো শারীরিক পরিশ্রমের খেলা নতুন প্রজন্মের কাছে “আউট অফ ট্রেন্ড” হয়ে পড়েছে।
২. খেলার মাঠের সংকট
নগরায়ন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপের কারণে গ্রাম ও শহর দু’জায়গাতেই খেলার মাঠ কমে যাচ্ছে। মাঠ না থাকলে হাডুডুর মতো দলগত আউটডোর খেলা টিকেই থাকে না।
৩. সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব
ক্রিকেট, ফুটবলের মতো জনপ্রিয় খেলায় যেমন স্পন্সর ও সরকারি বরাদ্দ পাওয়া যায়, হাডুডু এমন সুবিধা পায় না। ফলে খেলোয়াড় তৈরি, প্রতিযোগিতা আয়োজন—কোনোটাই নিয়মিত হয় না।
৪. সংগঠিত কাঠামোর অভাব
হাডুডুকে আধুনিক কাঠামো ও নিয়মাবলীতে আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলার উদ্যোগ খুব কম। তাই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্ব হারিয়েছে। জনপ্রিয়তা কমেছে অভ্যন্তরীণভাবেও।
৫. স্কুল–কলেজে খেলা বন্ধ
আগে স্কুল–কলেজে নিয়মিত হাডুডু খেলা হতো। এখন পাঠ্যক্রমে বা বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় হাডুডু খুব কমই দেখা যায়।
কী করলে আবার ফিরে আসতে পারে হাডুডু?
১. স্কুল–কলেজ পর্যায়ে খেলা বাধ্যতামূলক করা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় হাডুডুকে যুক্ত করলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে আগ্রহ বাড়বে।
২. সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও লিগ আয়োজন
জাতীয় হাডুডু লিগ, জেলা পর্যায়ে টুর্নামেন্ট, ফেডারেশনের শক্তিশালী কার্যক্রম—এই উদ্যোগগুলো খেলাকে আবার জনপ্রিয় করে তুলতে পারে।
৩. মিডিয়া কাভারেজ বাড়ানো
টিভি, ইউটিউব, ফেসবুকসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে হাডুডুর ম্যাচ সম্প্রচার করলে মানুষের ভালোবাসা ফিরে আসবে।
৪. গ্রামাঞ্চলে নিয়মিত টুর্নামেন্ট আয়োজন
গ্রামবাংলার মাঠেই হাডুডুর প্রাণ। ইউনিয়ন–উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতা হলে খেলাটি আবার ঘুরে দাঁড়াবে।
৫. আধুনিক নিয়ম সংযোজন
খেলাটিকে আরো আকর্ষণীয় ও নিরাপদ করতে আন্তর্জাতিক মানের নিয়মাবলী তৈরি এবং কোচিং কার্যক্রম চালু করা জরুরি।
হাডুডু শুধু একটি খেলা নয়; এটি বাংলাদেশের গ্রামীণ ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রয়োজন আধুনিক পরিকল্পনা ও উদ্যোগ। সরকারি সহযোগিতা, সামাজিক সচেতনতা এবং নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারলে জাতীয় খেলা হাডুডু আবারও দেশের মাঠে মাঠে ফিরে আসবে—উচ্ছ্বাসে, গর্বে, ঐতিহ্যে।
ধামরাই উপজেলা ও পৌর মহিলা দলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহাসিক “নারী সমাবেশ”।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ।
সমাবেশে জাতীয় রাজনীতি, নারীর অধিকার, সাংগঠনিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। স্থানীয় নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে।
ঢাকার ধামরাই পৌরসভার ছোট চন্দ্রাইল এলাকার একটি মৎস্য খামারের পুকুর থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর হৃদয় হাসান (২৪) নামে এক যুবকের মরদে*হ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার সকালে স্থানীয়রা পুকুরে মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে ধামরাই থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ তুলে পরিচয় নিশ্চিত করে। নিহত হৃদয় ওই এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে আসতেন বলে জানিয়েছে স্বজনরা।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মরদে*হ উদ্ধারকে ঘিরে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
ধামরাইসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাটে অসচেতনভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখা এখন নিত্যদিনের সমস্যা। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবের পাশাপাশি নাগরিকদের অসচেতন আচরণের কারণে পথচারীদের ভোগান্তি দিনদিন বাড়ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার মোড়, বাজার, বাসস্ট্যান্ড, এমনকি ফুটপাতেও নিয়ম না মেনে ময়লা ফেলে যাওয়া হয়। এতে দুর্গন্ধ, জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি ছোট-বড় সবার চলাফেরায় তৈরি হয় মারাত্মক অসুবিধা। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ ও নারী-শিশুরা বেশি সমস্যায় পড়েন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাস্তার ওপর ময়লা ফেলা শুধু জনদুর্ভোগই নয়—এতে রোগবালাই ছড়ানোর ঝুঁকিও বাড়ে। জমে থাকা আবর্জনা থেকে মশা, মাছি ও বিভিন্ন জীবাণু জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া সহ নানা রোগের বিস্তার ঘটাতে পারে।
পথচারীদের দাবি, স্থানীয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা এবং নিয়মিত ময়লা সংগ্রহের ব্যবস্থা প্রয়োজন। পাশাপাশি নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ব্যবহার, বাজার-এলাকায় আলাদা ময়লা ফেলার জায়গা নির্ধারণ এবং নিয়ম না মানলে জরিমানার ব্যবস্থা কার্যকর করা গেলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।
সচেতনতা ছাড়া রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়—এটাই বলছেন সংশ্লিষ্ট সবাই। তাই নিজের আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা নাগরিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।
Maecenas facilisis mauris adipiscing quam porta scelerisque. Vestibulum luctus auctor orci ac facilisis. Aliquam laoreet sed neque sed elementum. Quisque quis lacus at lorem luctus dapibus id at lacus. Phasellus nec interdum ante. Nullam a augue velit. Morbi vel urna pulvinar, cursus arcu vel, iaculis massa. Integer posuere tincidunt mi sed aliquet. Aliquam sollicitudin ultricies mi a rhoncus. Etiam urna purus, ultrices eu erat a, fringilla pellentesque tellus. Vestibulum luctus auctor orci ac facilisis. Aliquam laoreet sed neque sed elementum. Quisque quis lacus at lorem luctus dapibus id at lacus. Phasellus nec interdum ante. Nullam a augue velit. Morbi vel urna pulvinar, cursus arcu vel, iaculis massa. Integer posuere tincidunt mi sed aliquet. Aliquam sollicitudin ultricies mi a rhoncus. Etiam urna purus, ultrices eu erat a, fringilla pellentesque tellus.